Al-Ghashiyah
The Overwhelming
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
তোমার কাছে কি আচ্ছন্নকারী কেয়ামতের হাদিস এসে পৌঁছেছে?
সেদিন অনেক চেহারাই হবে লাঞ্ছিত-অবনত।
বিপর্যস্ত, পরিশ্রান্ত।
তারা প্রবেশ করবে জ্বলন্ত আগুনে।
তাদের পান করানো হবে টগবগে-ফুটন্ত গরম পানির ঝর্ণা থেকে।
বিষাক্ত কাঁটাযুক্ত গাছ ছাড়া তাদের জন্য কোন খাদ্য থাকবে না।
তা মোটা-তাজাও করবে না আর ক্ষুধাও মেটাবে না।
(অন্যদিকে) সেদিন অনেক চেহারা হবে আনন্দোজ্জ্বল –
(দুনিয়ায়) নিজেদের কর্মসাফল্যে পরিতৃপ্ত-পরিতুষ্ট।
(তারা থাকবে) উচ্চ মর্যাদাপূর্ণ-আলিশান জান্নাতে।
সেখানে শুনবে না কোন অনর্থক-আজেবাজে-কথাবার্তা।
সেখানে থাকবে প্রবাহমান ঝর্ণাধারা – [76:16-17-18]
সেখানে থাকবে উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন শয্যাসহ-আসন।
থরেথরে সাজানো সুসজ্জিত পানপাত্র।
আর সারি সারি তাকিয়া-নরম বালিশ।
মখমল- বিছানো বিস্তৃত গালিচা ।
তারা কি উটের প্রতি লক্ষ্য করে না, (সৃষ্টি কুশলতায় ভরপুর ক’রে) কী ভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে?
(তাকিয়ে দেখে না) আকাশের দিকে, কীভাবে তা সমুচ্চ করা হয়েছে? [13:2]
আর পর্বতমালার দিকে, কীভাবে তা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে?
আর যমীনের দিকে, কীভাবে তা বিস্তৃত করা হয়েছে? [31:10, 39:5, 79:28-30]
অতএব তুমি উপদেশ দাও, তুমি তো একজন উপদেশদাতা মাত্র।
তুমি তাদের উপর শক্তি প্রয়োগকারী-জোর জবরদস্তিকারী-দারোগা নও।
তবে যে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং কুফরী করে–
আল্লাহ তাকে ভয়াবহ, কঠোর শাস্তি দেবেন।
নিঃসন্দেহে, তাদেরকে আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে।
তারপর তাদের হিসাব-নিকাশ তো আমারই দায়িত্বে।